হার্ট অ্যাটাকে হঠাৎ মৃত্যু! —বাঁচতে প্রয়োজন করোনারী এনজিওগ্রাম।

অজ্ঞতার কারণে আমাদের কাছে করোনারি এনজিওগ্রাম পরীক্ষা এক মহা আতঙ্কের নাম। আমি দেখেছি এনজিওগ্রাম নিয়ে ভয়ের কারণে করোনারি আর্টারী ডিজিজের রোগী পরীক্ষার টেবিল থেকে উঠে দৌড়ে পালিয়ে গেছেন । অথচ এটা তুলনামূলকভাবে সিম্পল একটা মিনিমাল ইনভেসিভ প্রসিডিউর। ডায়াগনস্টিক ভ্যালুর তুলনায় এর ঝুঁকি এবং ট্রমাটিক ইনসাল্ট খুবই নগণ্য। এই পরীক্ষাটি করে একজন CAD এর রোগী হঠাৎ হার্ট অ্যাটাক জনিত মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচার উপায় অবলম্বন করার সুযোগ গ্রহণ করতে পারে। তাই সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যেই আজকের এই চেষ্টা।
হার্ট অ্যাটাকে হঠাৎ মৃত্যুর কারণ হলো হৃৎপিণ্ডে রক্ত সরবরাহ কমে যাওয়া এবং করোনারি এনজিওগ্রাম হলো এই ব্লকেজ নির্ণয়ের জন্য একটি অত্যাবশ্যকীয় পরীক্ষা, যা ভবিষ্যতে সঠিক চিকিৎসার পথ দেখায়। এই পরীক্ষার মাধ্যমে জানা যায় করোনারি ধমনীতে ব্লকেজের পরিমাণ, স্থান এবং তীব্রতা কতটুকু, যা জীবন রক্ষাকারী পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে সাহায্য করে। 

কেন এনজিওগ্রাম গুরুত্বপূর্ণ:

ঝুঁকি কমানো: হার্ট অ্যাটাকের পর দ্রুত সঠিক চিকিৎসা শুরু করলে তা জীবন বাঁচাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 

হৃৎপিণ্ডের রক্তপ্রবাহ পরীক্ষা: এনজিওগ্রামের মাধ্যমে হৃৎপিণ্ডের ধমনীগুলোতে ব্লকেজ বা সংকীর্ণতা আছে কিনা তা পরীক্ষা করা হয়। 

রোগ নির্ণয়: এটি হার্ট অ্যাটাকের পরে বন্ধ হয়ে যাওয়া রক্ত সরবরাহ পুনরুদ্ধার করতে সাহায্য করে। 

ব্লকেজের সঠিক চিত্র: এটি ব্লকেজের সংখ্যা, অবস্থান এবং কত শতাংশজুড়ে ব্লক রয়েছে তা স্পষ্টভাবে সনাক্ত করতে পারে। 

চিকিৎসার পরিকল্পনা: এই তথ্যগুলো থেকে পরবর্তী পদক্ষেপ, যেমন – এনজিওপ্লাস্টি বা বাইপাস সার্জারির মতো চিকিৎসার প্রয়োজন আছে কিনা, তা নির্ধারণ করা সহজ হয়। 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top