হার্ট অ্যাটাকে হঠাৎ মৃত্যু! —বাঁচতে হলে প্রয়োজন করোনারী এনজিওগ্রাম।

করোনারি এনজিওগ্রাম হল একটি বিশেষ এক্স-রে পরীক্ষা যা হৃৎপিণ্ডের রক্তনালীগুলি দেখার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি করোনারি ধমনীতে কোনো বাধা বা সংকীর্ণতা আছে কিনা তা সনাক্ত করতে সাহায্য করে, যা হৃৎপিণ্ডে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত সরবরাহের জন্য অপরিহার্য। এই পরীক্ষার মাধ্যমে হৃদরোগ নির্ণয় করা যায়। 

অজ্ঞতার কারণে আমাদের কাছে করোনারি এনজিওগ্রাম পরীক্ষা এক মহা আতঙ্কের নাম। আমি দেখেছি এনজিওগ্রাম নিয়ে ভয়ের কারণে করোনারি আর্টারী ডিজিজের রোগী পরীক্ষার টেবিল থেকে উঠে দৌড়ে পালিয়ে গেছেন । অথচ এটা তুলনামূলকভাবে সিম্পল একটা মিনিমাল ইনভেসিভ প্রসিডিউর। ডায়াগনস্টিক ভ্যালুর তুলনায় এর ঝুঁকি এবং ট্রমাটিক ইনসাল্ট খুবই নগণ্য। এই পরীক্ষাটি করে একজন CAD এর রোগী হঠাৎ হার্ট অ্যাটাক জনিত মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচার উপায় অবলম্বন করার সুযোগ গ্রহণ করতে পারে। তাই সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যেই আজকের এই চেষ্টা। সাবস্ক্রাইব করে সঙ্গে থাকুন

করোনারি এনজিওগ্রাম কী?

  • এটি একটি ডায়াগনস্টিক পরীক্ষা যা এক্স-রে এবং একটি বিশেষ ‘কনট্রাস্ট ডাই’ ব্যবহার করে হৃৎপিণ্ডের ধমনীর ছবি তৈরি করে।
  • এই পরীক্ষার উদ্দেশ্য হলো করোনারি ধমনীতে রক্ত ​​প্রবাহে কোনো সমস্যা আছে কিনা তা পরীক্ষা করা। 

কেন এই পরীক্ষাটি করা হয়?

  • হৃদরোগ নির্ণয় করার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা।
  • এটি করোনারি ধমনীতে সংকীর্ণতা বা ব্লকেজ শনাক্ত করতে সাহায্য করে। 

পরীক্ষাটি কীভাবে করা হয়?

  • এই পদ্ধতিতে একটি পাতলা, নমনীয় টিউব (ক্যাথেটার) ধমনীর মাধ্যমে হৃৎপিণ্ডের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়।
  • এরপর, একটি বিশেষ ‘কনট্রাস্ট ডাই’ ইনজেকশন দেওয়া হয় এবং এক্স-রে ছবি নেওয়া হয়।
  • এই ছবিগুলো থেকে হৃৎপিণ্ডের রক্তনালীর একটি বিস্তারিত চিত্র পাওয়া যায়। 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top